হে বাংলাদেশের মুজাহিদীনগণ, আপনারা জেগে উঠুন!!!

হে বাংলাদেশের মুজাহিদীনগণ, আপনারা জেগে উঠুন!!!
হে বাংলাদেশের মুজাহিদীনগণ, আপনারা জেগে উঠুন!!!
হে বাংলাদেশের মুজাহিদীনগণ, আপনারা জেগে উঠুন!!!
আল্লাহর শপথ, আপনাদেরকে একদিন এর জন্য জবাবদিহী করতে হবে। আপনারা আল্লাহর দ্বীন বুঝেছেন, তাওহীদ ও জিহাদের পথ বুঝার পর আপনারা আল্লাহর দ্বীনের জন্য কতটুকু কাজ করেছেন – এর জবাব আপনাদেরকে দিতে হবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ হিসাব গ্রহণে অত্যন্ত পারদর্শী।
হে বাংলাদেশের মুজাহিদীনগণ, আপনারা জেগে উঠুন। আপনাদের এই সুযোগকে কাজে লাগান। এই ফোরামকে আপনারা সর্বাত্বকভাবে কাজে লাগান।
এতে আপনি পোষ্ট করুন।
এতে নিয়মিত মন্তব্য করুন।
এর মাধ্যমে অন্যান্য মুজাহিদীন ভাইদেরকে তাহরীদ করুন।
এর মাধ্যমে অন্যান্য মুজাহিদীনদেরকে নাসীহাহ প্রদান করুন।
আপনার অভিজ্ঞতা অন্যান্যদেরকে জানান।
উত্তমভাবে দাওয়াতের পদ্ধতি কি হতে পারে, সে ব্যাপারে আপনার পরামর্শ প্রদান করুন।
একটি হাদিস, একটি আয়াত কিংবা এর তাফসীর পড়লে সেটা বাকীদের জন্য জানান। নিশ্চয়ই জিকির মুমিনদের কাজে আসে।
হে বাংলাদেশের মুজাহিদীনগণ, আপনারা জেগে উঠুন। নিশ্চয়ই আমাদেরকে আল্লাহর সামনে এই ফোরামের মতো একটি নিয়ামত পেয়ে কি আমল করলাম- এর জন্য জবাব দিতে হবে।
আল্লাহর কসম, এই কাফির-মুরতাদ সরকার ও তাদের কেনা গোলাম মুরতাদ নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য তো আমরা শান্তিতে এক জায়গায় জমায়েত হতে পারি না, সবাই একত্রিত হতে পারি না। তবে কেন এই জমায়েত কেন্দ্রকে, এই ফোরামকে, এই ভার্চুয়াল সভাকে, এই ভার্চুয়াল হাল্*কা কে আমরা কাজে লাগাবো না?
এটা কাজে না লাগানোর জন্য আমাদের কি কোন অজর-আপত্তি আছে?
মুখোমুখি আমরা সবাই একসাথে হতে না পারলেও ভার্চুয়ালি (নেট এর মাধ্যমে) তো আমরা একসাথে আছি। এই সুযোগকে কাজে লাগান।
এখানে পোষ্ট মানেই এটা নয় যে, এটা ২/৩ পৃষ্টা ব্যাপী হতে হবে। পত্রিকার প্রবন্ধের মতো হতে হবে। বরং এটা ১/২ প্যারা, কয়েকটি লাইন মাত্রও হতে পারে। আর সত্য কথা হলোঃ ইখলাস সহ আপনার ২/৩ টি বাক্য আরেক মুজাহিদ ভাই এর জন্য অনেক বড় তাহরীদের কারণ হতে পারে। আল্লাহ আমাদের নেক কাজ সমূহকে বাড়িয়ে দেন। আমরা জানি না আমাদের কোন উত্তম কথা দ্বারা কোন জায়গায় কোন বরকত আল্লাহ দান করছেন?
কেউ হয়তো সমসাময়িক ব্যাপারে ভালো জ্ঞান রাখেন, সেটা এখানে শেয়ার করুন। হতে পারে মাত্র ৩/৪ টি লাইনের মাধ্যমে।
কেউ ডাক্তার হলে সেই ব্যাপারে মুজাহিদীনদেরকে এখানে নাসীহা দিন।
কেউ আইটি এক্সপার্ট হলে, এই ব্যাপারে এখানে নাসীহা দিন।
কেউ অনুবাদ পারলে ছোট্ট বই / প্রবন্ধ অনুবাদ করে এখানে দিন। কোন প্রবন্ধের এক প্যারা এখানে অনুবাদ করে পোষ্ট করুন। আরবী থেকে এক প্যারা অনুবাদ করে এখানে সবাইকে জানিয়ে দিন।
কেউ কবিতা/ নাসীদ লিখতে পারলে তা এখানে দিন।
আপনার আশেপাশের মানুষের মাঝে এই ফোরামের লিংক ছড়িয়ে দিন। পোষ্টগুলো থেকে বেছে বেছে প্রিন্ট করে আশেপাশের সাধারণ মুসলমান, ওলামায়ে-কেরামদের মাঝে বিতরণ করুন।
কেউ কোন ভালো নাসীদ শুনে থাকলে এটা এখানে শেয়ার করুন।
কেউ ইলমের লাইনে দক্ষ হলে আয়াত / হাদীসের শরাহ এখানে শেয়ার করুন।
কেউ ইসলাম ও জিহাদের বিরুদ্ধে কাফির-মুরতাদদের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে ১/২ প্যারা লিখে এখানে শেয়ার করুন।
কেউ যুদ্ধ কৌশলের ব্যাপারে জ্ঞান রাখলে এই ব্যাপারে এখানে নাসীহা দিন।
কেউ শুধু এই পোষ্টগুলো বাংলায় অন্যান্য সকল ইসলামী সাইটে, ব্লগে, ফেইসবুকে পোষ্ট করতে পারেন।
বর্তমান এই কাফির-দাজ্জাল সিষ্টেমের বাইরে আমরা আমাদের আরেকটা বিশ্ব গড়ে তুলতে চাই, আরেকটা নিজাম গড়ে তুলতে চাই, সেটা হলো সুন্নতে নববীর আদর্শে ইসলামী বিশ্ব। আপনার প্রতিটি পোষ্ট-প্রতিটি মন্তব্য আসলে সেই অনাগত ইসলামী খিলাফত নির্মানের কাজ করছে। আল্লাহর কসম, ফোরামের এই সকল পোষ্ট – মন্তব্যকে আপনারা ছোট্টভাবে দেখবেন না।
এর প্রতিটি পোষ্ট কাফির-মুরতাদদের গায়ে চড় মারার মতো।
এর প্রতিটি পোষ্ট-মন্তব্য প্রমাণ করছে যে তাদের এই ব্যবস্থা বিফলে গেছে।
এর প্রতিটি পোষ্ট-মন্তব্য প্রমাণ করছে এই কাফির-মুশরিকদের সকল ষড়যন্ত্র ব্যাহত হতে চলেছে।
এর প্রতিটি পোষ্ট-মন্তব্য প্রমাণ করছে এই কাফির-মুশরিকদের সকল ষড়যন্ত্র অত্যন্ত দুর্বল।
এর প্রতিটি পোষ্ট-মন্তব্য প্রমাণ করছে এই কাফির-মুশরিকদের সকল তর্জন-গর্জনকে অগ্রাহ্য করে মুজাহিদীনরা দৃপ্ত পায়ে সামনে এগিয়ে চলছেন।
এর প্রতিটি পোষ্ট-মন্তব্য প্রমাণ করছে এই দেশে ইনশাআল্লাহ আল্লাহর দ্বীনের জন্য জিহাদে শরীক হবার মতো মানুষের অভাব নেই।
এর প্রতিটি পোষ্ট-মন্তব্য প্রমাণ করছে এই কাফির-দাজ্জাল সভ্যতাকে চেলেঞ্জ করার মতো শক্তি-সাহস-যোগ্যতা মুসলমানরা-মুজাহিদীনরা রাখে।
এর প্রতিটি পোষ্ট-মন্তব্য প্রমাণ করছে এই মুজাহিদীনিরা হাসিনা-খালেদা-এরশাদ কিংবা এই ধরনের কতিপয় মুরতাদ অথবা দরবারী আলেমদের ধার ধারেন না। তারা বিকল্প এক ব্যবস্থার জন্য কাজ করছেন। যেভাবে বুদ্ধিমান এক কাফির মন্তব্য করেছিলোঃ
“They dont want a share in the table, they want to shatter the whole table”.
অর্থাৎ মুজাহিদীনরা বর্তমান রাস্ট্রীয়-সামাজিক-রাজনৈতিক ব্যবস্থায় তাদের একটা অংশ চায় এমন নয়, তারা পুরো ব্যবস্থাটাই পাল্টে দিতে চায়।
হে আল্লাহর বান্দারা, নিশ্চয়ই আল্লাহ আমাদের সামর্থের বাইরে বোঝা চাপিয়ে দেন না। আল্লাহ আপনাকে যতটুকু যোগ্যতা দান করেছেন, তার কতটুকু আপনি কাজে লাগাচ্ছেন?
আমাদের দেশে মুরতাদরা এদেশের মানুশের শিক্ষা-সংস্কৃতি সকল ক্ষেত্রে কুফর-শিরক প্রচলন করেছে, মিডিয়ার মাধ্যমে মানুষের মন-মগজ ধোলাই দিয়ে যাচ্ছে। কিভাবে আমরা এটাকে প্রতিহিত করতে পারি এই ব্যাপারে আপনার পরামর্শ দিন।
আল্লাহর কসম, এই সুযোগ পেয়েও আমরা কাজে লাগাতে না পারলে আমরা আল্লাহর কাছে জবাব দিতে পারবো না।
মিডিয়া হচ্ছে বর্তমান যুগে জিহাদের অর্ধেক যেভাবে ইয়েমেনের মুজাহিদীন কমান্ডার বলেছেন, যা সামীর খান (আল্লাহ তাঁকে শহীদ হিসেবে কবুল করুন) ভাই ‘ইন্সপায়ারে’ উল্লেখ করেছেন।
এর মাধ্যমে কাফিরদের মিথ্যা প্রচারণার জবাব দেয় যায়।
এর মাধ্যমে দরবারী আলেমদের ভ্রান্ত ফতোয়ার অসারতা তুলে ধরা যায়।
এর মাধ্যমে সবাইকে তাহরীদ করা যায়।
এর মাধ্যমে সবার চিন্তা-চেতনাকে এক ধারায়, তাওহীদ ও জিহাদের পথে, আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাতের পথে প্রবাহিত হয়।
কারণ বিশ্বব্যাপী আমাদের এই জিহাদ হচ্ছে “আক্বীদার জিহাদ”। কাফিররা যেটাকে বলে (শাইখ আনোয়ার আওলাকি (রঃ) যেটাকে উল্লেখ করেছেন) “War of Ideas”. আর এই যুদ্ধে তাগুত-মুরতাদদের ভ্রান্ত আক্বীদা, ইরযায়ী (মুরজিয়াদের আক্বীদা) রোগে আক্রান্ত দরবারী সালফীদের ভ্রান্ত আক্বীদা, জিহাদ বিরোধী মুনাফিকদের ভ্রান্ত কলা-কৌশল সবই এর মাধ্যমে মোকাবেলা করা যায়।
এখন ইন্টেরনেট একটা অস্ত্র। এর সঠিক ব্যবহার আমাদেরকে করতে হবে।
আল-কায়েদায় মুজাহিদীনরা এ কারণে বর্তমানে ইন্টারনেটকে একটি প্রধান মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছেন। এ কারণে কাফিররা বর্তমান আল-কায়েদাকে বলে “আল-কায়েদা ভার্সন ২.০”, কারণ বর্তমান ইন্টারনেট ভার্সন হচ্ছে ২.০।
বাব-উল-ইসলাম এই ফোরাম আল্লাহর রহমতে অনেক ঝড়-ঝাপটার মাঝে টিকে আছে। কাফিররা বিভিন্ন সাইবার আক্রমণের মাধ্যমে একে বন্ধ করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু আল্লাহর ইচ্ছায় এটা টিকে আছে। এ রকম একটা স্টেবল ফোরাম পেয়েও কেন আমরা বসে আচ্ছি? কেন এটাকে কাজে লাগাবো না?
এমন যদি হতো, আপানার পাশে কয়েকশত মুজাহিদ ভাই বসে আছেন, যাদেরকে আপনি ভালোবাসেন, তারাও আপনাকে ভালোবাসে, আপনি তাদের সবার সাথে মিলে এই জমীনে আল্লাহর দ্বীনের জন্য জিহাদ করতে চান।
এই অবস্থায় আপনি কি তাদেরকে কিছু বলতে চান না?
আপনি তাদেরকে কি কিছু জানাতে চান না?
আপনার কি কোন নাসীহা নেই তাদের জন্য?
আপনার কি কিছু বলার নেই তাদের জন্য?
যদি থাকে তাহলে আপনি পোষ্ট দিন। একটা পোষ্ট দিতে তো ১৫-২০ মিনিটের বেশী লাগবে না। এই একটি পোষ্ট ইনশাআল্লাহ অনেক মুজাহিদ ভাই পড়বেন। অনেক সাধারণ মুসলমান এটা পড়বেন, এটা পড়ে তাহরীদ হবেন। এটা পড়ে তাদের মনে সন্দেহ দূর হবে। তারা বুঝবেন তারা একা নন, আল্লাহর ইচ্ছায় অনেক ভাই আছেন, যারা আল্লাহর জন্য প্রাণ দিতে প্রস্তুত।
ধরুন, আপানার পাশে কয়েকশত মুজাহিদ ভাই বসে আছেন।
আপনি তাদের বিভিন্ন কথার জবাবে কিছু বলতে চান না?
আপনি কি তাদের কোন কথার সাথে আপনার কোন কথা যোগ করতে চান না?
– তাহলে আপনি এই ফোরামে বিভিন্ন পোষ্টের উত্তরে আপনার মন্তব্য দিন। আপনার একটি মন্তব্য হয়তো আরেকটি ভাইকে তাহরীদ করবে আরো ৫ টি পোষ্ট দিতে। আপনার একটি প্রশ্ন অথাব প্রশ্নের উত্তর হয়তো আরেকটি ভাই এর সন্দেহ-শুবুহাত দূর করবে। তাহলে আপনি কেন হেলায় এই সুযোগ হারাচ্ছেন?
শুধুমাত্র লগ-ইন করত সময় যাবে, তাই এই ফোরামে লগ-ইন না করে শুধু কয়েকটি পোষ্ট পড়ে গেলেই কি আপনার দায়িত্ব শেষ? না কখনোই আপনার দায়িত্ব শেষ না। এর জন্য আল্লাহর সামনে আপনাকে জবাবদিহী করতে হবে।
যে কোন নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করলে আল্লাহ তাঁর নেয়ামত আরো বাড়িয়ে দেন। আর ঐ নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় এর একটি উপায় হলো এর যথাযথ ব্যবহার। তাই আমরা যদি এর যথাযথ ব্যবহার না করি, তবে কিভাবে আল্লাহ আমাদেরকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাবেন। মনে হচ্ছে, আমাদের উৎসাহের অভাব রয়েছে, কর্ম-স্পৃহার অভাব রয়েছে কিংবা আমাদের অলসতা রয়েছে। তবে কেন আল্লাহ আমাদের হাতে আসলিহাত (অস্ত্র-সামগ্রী) তুলে দিবেন যা দিয়ে এই মুরতাদদের সাথে যুদ্ধ করা যায়। কারণ এখন যতটুকু তিনি দিয়েছেন, আমরা এর যথাযথ ব্যবহার করতে পারছি না।
আমরা এসব ব্লগ, ফোরামের মাধ্যমে দেশের সাইবার স্পেসে আলোচনার ঝড় তুলতে পারতাম,
ব্লগগুলো গরম করে দিতে পারতাম,
দরবারী আলেমদের সকল ভ্রান্ত ধারনা থেকে সাধারণ মুসলমানদেরকে মুক্ত করার চেষ্টা করতে পারতাম।
কিন্তু সেগুলো এখনো আমরা গ্রহণযোগ্য ভাবে করতে পারিনি। আল্লাহ আমাদেরকে মাফ করুন। নিশ্চয়ই আল্লাহ অযোগ্য, অলস, ভীরু, কাপুরুষদের হাতে আল্লাহর দ্বীন তুলে দিবেন না। হে আল্লাহ আমাকে ও আমাদের সবাইকে অলসতা, ভীরুতা, কাপুরুষতা থেকে রক্ষা করুন।
اَللّهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْعِجْزِ ، وَالْكَسْلِ، وَالْجُبْنِ ، وَالْهَرَمِ ، وَالْبُخْلِ ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ.
O Allah, I seek refuge in You from weakness and laziness, miserliness and cowardice, anxiety and sorrow, and I seek refuge in You from the torments of grave, and I seek refuge in You from the trials and tribulations of life and death.
আবার কেউ কেউ অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের কারণে ফোরামে লগ-ইন করেন না।
আল্লাহর শপথ, বিপদ-মুসীবত আল্লাহর অনুমতি ছাড়া আসে না যা আল্লাহ নিজে আল কোরআনে ঘোষণা করেছেন।
কত ভাই কত বেশী কাজ করছেন, কিন্তু আল্লাহর রহমতে তারা নিরাপদে আছেন, আর কত ভাই বসে থেকে মুরতাদদের রোষানলে পড়েছেন।
তাকদীরে যা লিখা আছে সেটা তো আছেই। সেটাকে কেউ এড়িয়ে যেতে পারবেন না। খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ) এর মৃত্যুকালীন অসীয়াতকে মনে রাখুন।
কেউ যদি নেট এ ব্রাউজ করতেই ভয় পায়, সে ময়দানে জিহাদ-ক্বিতাল করবে কিভাবে?
কেউ যদি নেট এ ব্রাউজ করতেই ভয় পায়, সে ময়দানে জিহাদ-ক্বিতাল করবে কিভাবে?
কেউ যদি নেট এ ব্রাউজ করতেই ভয় পায়, সে ময়দানে জিহাদ-ক্বিতাল করবে কিভাবে?
সে আল্লাহর ঐ আয়াতের আওতায় পড়ে যেতে পারে, যেখানে তিনি বলেছেনঃ
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آَمَنُوا لِمَ تَقُولُونَ مَا لَا تَفْعَلُونَكَبُرَ مَقْتًا عِندَ اللَّهِ أَن تَقُولُوا مَا لَا تَفْعَلُونَ
হে মুমিনগণ! তোমরা এমন কথা কেন বলো যা তোমরা নিজেরা করো না? তোমরা যা করো না, তা বলা আল্লাহর কাছে খুবই অসন্তোষজনক। (সূরা ছফ)
আবার আল্লাহ বলেছেন, তোমরা তোমাদের সতর্কতা গ্রহন করো। কিন্তু সতর্কতা গ্রহণের খাতিরে কাজ বন্ধ করা দেয়া,
এটা কোন ফিকহ?
এটা কোন ধরনের সতর্কতা?
এটা কার থেকে পাওয়া উপলব্ধি?
আল্লাহর কসম, শয়তান আমাদেরকে জিহাদের পথ থেকে সরিয়ে নেবার জন্য কৌশল করছে, এছাড়া এটা কিছুই না।
আবার আমরা কি সপ্তাহে কিংবা ৩/৪ দিনেও ফোরামে একটা পোষ্ট করার সময় পাই না?
এটা কোন ধরনের ব্যস্ততা?
এটা ব্যস্ততা নয়, এটা হচ্ছে চরম গাফলতি।
এটা কোন ধরনের হেঁয়ালিপনা?
এভাবে আপনি কেন এই মহামূল্যবান সুযোগ হারাচ্ছেন?
পুরো সপ্তাহে কি আপনার ২০-৩০ মিনিট হয় না একটা পোষ্ট দেয়ার মতো?
এক প্যারা লিখার মতো?
পুরো সপ্তাহে কি আপনার ৫ মিনিট সময় হয় না একটা কমেন্ট করার জন্য?
নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে আমাদেরকে জবাবদিহী করতে হবে।
আমরা সবচেয়ে নূন্যতম যা করতে পারি, তা হচ্ছে এই পোষ্টে মন্তব্যের মাধ্যমে বাকীদেরকে জানিয়ে দেয়াঃ কিভাবে আমরা বাব-উল-ইসলাম ফোরামকে আরো উত্তমভাবে জিহাদের পথে কাজে লাগাতে পারি? কিভাবে এর সর্বোত্তম ব্যবহার সম্ভব?
হে আল্লাহ, তুমি আমাদেরকে পিছনে বসে থাকা লোকদের মধ্যে সামিল করো না।
হে আল্লাহ, তুমি আমাদেরকে পিছনে বসে থাকা লোকদের মধ্যে সামিল করো না।
হে আল্লাহ, তুমি আমাদেরকে পিছনে বসে থাকা লোকদের মধ্যে সামিল করো না।
হে আল্লাহ, তুমি আমাদেরকে পিছনে বসে থাকা লোকদের মধ্যে সামিল করো না।
হে আল্লাহ, তুমি আমাদেরকে পিছনে বসে থাকা লোকদের মধ্যে সামিল করো না।
হে আল্লাহ তুমি আমাদের দূর্বলতা সমূহ মাফ করে দাও, আর তুমি আমাদের যেসব অর্থ-যোগ্যতা-নেয়ামত দান করেছো, তার সবই তোমার দ্বীনের পথে, জিহাদের পথে ব্যবহার করার তৌফিক দাও।
হে আল্লাহ তুমি ছাড়া আমাদের আর কোন ইলাহ নাই। আমরা শুধু তোমারই কাছে সাহায্য চাই।
সকল কাফির-মুরতাদের সম্মিলিত বাহিনীর বিরুদ্ধে তুমি আমাদের জন্য যথেষ্ট।
হে আল্লাহ এই কাফির-মুরতাদদের বিরুদ্ধে তুমি আমাদের কদমকে শক্তিশালী করো, তুমি আমাদেরকে এই জমীনে তামকীন দান করো, হে আল্লাহ নিশ্চয়ই তুমি সকল বিষয়ে ক্ষমতাবান।
হে আল্লাহ, তুমি আমাদেরকে জান্নাতবাসীদের মধ্যে সামিল করো, হে আল্লাহ আমাদেরকে তোমার পথে শহীদ হিসেবে কবুল করো। আমাদেরকে শহীদ হবার উপযুক্ত করে গড়ে নাও। হে আল্লাহ একটি মুহুর্তের জন্যও তুমি আমাদেরকে আমাদের নিজেদের দায়িত্বে ছেড়ে দিও না।
হে আল্লাহ, তুমি ইসলামকে, মুসলমানদেরকে ও মুজাহিদীনিদেরকে সাহায্য করো, বিজয় দান করো। আমীন।

Advertisements
Categories: Uncategorized | Leave a comment

Post navigation

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

Blog at WordPress.com.

%d bloggers like this: