যারা একই দিনে সিয়াম ও ঈদ পালনের বিপক্ষে তাদের কাছে আমাদের 13 টিপ্রশ্ন?

যারা নিজ
নিজ দেশের চাঁদ অনুযায়ী রোজা ও ঈদ
পালন করে থাকেন তাদের
কাছে আমাদের প্রশ্নঃ ১| দেশের
সীমানা কতটুকু
হবে তা কোরআন ও সুন্নাহ অনুযায়ী পেশ
করবেন?
২।আপনাদের বক্তব্য অনুযায়ী “সারা বিশ্বের
সাথে একই সময়ে আমরা ইফতার, সেহরী ও
নামাজ আদায় করি না”। এই জন্য
আপনারা সারা বিশ্বের সাথে একই বারে/
দিনে ঈদ পালন করতে চান না।
তাহলে আপনাদের নিকট আমাদের প্রশ্ন,
ঢাকার মানুষের সাথে চট্টগ্রামের মানুষ
একই সময়ে ইফতার, সেহরী ও নামাজ আদায়
করে না। তবে কেন ঢাকা ও চট্টগ্রামে একই
বারে/
দিনে রোজা এবং ঢাকা ও চট্টগ্রামে একই
বারে/দিনে ঈদ পালন করেন? ৩।সূর্যের
সময়ের হিসেবে উল্লেখিত দুই শহর অর্থ্যাৎ
ঢাকা ও চট্টগ্রাম এর ‘সূর্যের সময়ের পার্থক্য’
বজায় রেখে যদি আপনারা ঢাকা ও
চট্টগ্রামে একই
বারে রোজা এবং ঢাকা ও চট্টগ্রামে একই
বারে ঈদ পালন করতে পারেন, তবে কেন
‘সূর্যের সময়ের পার্থক্য’ বজায়
রেখে সারা বিশ্বের সাথে একই
বারে রোজা এবং সারা বিশ্বের
সাথে একই বারে ঈদ পালন
করতে পারেন
না?
৪।
চট্টগ্রামে বা পঞ্চগড়ে বা সিলেটে বা সাতক্ষীরায়
চাঁদ দেখা গেলে এবং ঢাকায় চাঁদ
না দেখা গেলে, ঢাকায় চাঁদ
না দেখেও
ঐসব এলাকার চাঁদ দেখার সংবাদ শুনে ঐসব
এলাকার সাথে ঢাকায় একই
বারে রোযা ও ঐসব এলাকার সাথে ঢাকায়
একই বারে ঈদ করছেন,
তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে চাঁদ
দেখা গেলে এবং ঢাকায় চাঁদ
না দেখা গেলে, মধ্যপ্রাচ্যের চাঁদ দেখার
সংবাদ শুনে ঢাকায় একই
বারে রোযা এবং মধ্যপ্রাচ্যের চাঁদ দেখার
সংবাদ শুনে ঢাকায় একই বারে ঈদ কেন
করতে পারছেন না???
৫।যদি বলেন, ঢাকার সাথে মধ্যপ্রাচ্যের
দূরত্ব, ঢাকার সাথে চট্টগাম বা পঞ্চগড়
বা সিলেট বা সাতক্ষীরার দূরত্বের
চেয়ে বেশি, তাহলে দূরত্ব সর্বোচ্চ কতদূর
হলে একই বারে রোজা এবং দূরত্ব সর্বোচ্চ
কতদূর হলে একই বারে ঈদ করা যাবে,
তা দলিল সহ স্পষ্ট করে বলবেন কি?? ৬।
যদি বলেন, ঢাকার সাথে মধ্যপ্রাচ্যের
সময়ের পার্থক্য, ঢাকার সাথে চট্টগাম
বা পঞ্চগড় বা সিলেট বা সাতক্ষীরার
সময়ের পার্থক্যের চেয়ে বেশি,
তাহলে সময়ের পার্থক্য সর্বোচ্চ কতটুকু
হলে একই দিনে/
বারে রোজা এবং সময়ের পার্থক্য সর্বোচ্চ
কতটুকু হলে একই দিনে/বারে ঈদ করা যাবে,
তা দলিল সহ স্পষ্ট করে বলবেন কি?? ৭।কেন
মুসলিম বিশ্বে একই বারে শবে কদর পালিত
হয়না? শবে কদরের রাত
কি একটা নাকি দুইটা? ৩০ পারা কুরআন
একত্রে যে রাতে নাযিল হয়েছিল সেটাই
কদরের রাত। ৩০ পারা কুরআন
কি মধ্যপ্রাচ্যে এক রাতে আর
বাংলাদেশে তার পরের রাতে অর্থাৎ দুই
রাতে নাযিল হয়েছে? ৮।
বাংলাদেশে মধ্যপ্রাচ্যের একদিন
পরে রোজা, ঈদ করলে এই অবস্হা হয়:
বাংলাদেশ থেকে কেউ রোযা শুরু
করে রমযান মাসের যে কোন দিন
মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে সেখানে ঈদ করলে তার
রোযা ২৮ বা ২৯ টি হয় অর্থাৎ অন্যদের
চেয়ে একটি কম হয়, আবার মধ্যপ্রাচ্য
থেকে কেউ রোযা শুরু করে রমযান মাসের
যে কোন দিন বাংলাদেশে এসে ঈদ
করলে তার রোযা ৩০ বা ৩১ টি হয় অর্থাৎ
অন্যদের চেয়ে একটি বেশি হয়। অথচ ২৮
বা ৩১ রোজার বিধান ইসলামে নাই। হাদীস
শরীফে বলা হয়েছে আরবী মাস ২৯-এর কম
হবেনা এবং ৩০-এর বেশী হবেনা।
এক্ষেত্রে সমাধান কি?? দলিল সহ
জানতে চাই।
৯।অনেকেই বলেন নামাজের ওয়াক্ত
মধ্যপ্রাচ্যে ও বাংলাদেশে এক নয় তাই
পহেলা রমযান, শবে কদর, ঈদ
ইত্যাদি মধ্যপ্রাচ্যে ও বাংলাদেশে একই
বারে নয়। তাদেরকে বলি, নামাজের
ওয়াক্ত এবং সেহরি ইফতার হয় সূর্য
অনুযায়ী কিন্তু যে কোন আরবী মাস শুরু হয়
চাঁদ অনুযায়ী এবং পহেলা রমযান, ঈদও হয়
চাঁদ অনুযায়ী। সূর্য ও চাঁদের হিসাব আলাদা।
নামাজের ওয়াক্ত
এবং সেহরি ইফতার কি চাঁদ অনুযায়ী হয়?
আরবী মাসের শুরু, পহেলা রমযান, ঈদ
এইগুলো কি সূর্য অনুযায়ী হয়? ১০।সময়ের
পার্থক্য বজায়
রেখে যদি সারা পৃথিবীতে জুম্মা একই
দিনে/বারে (শুক্রবার) পড়া যায়
তবে পৃথিবীতে প্রথম নতুন চাঁদ উদয়ের
গ্রহনযোগ্য সংবাদ অনুযায়ী সকল স্হানের
‘সূর্যের সময়ের পার্থক্য’ বজায়
রেখে সারা পৃথিবীতে ঈদের নামাজ
কেন একই দিনে/বারে পড়া যাবে না? ১১।
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
বলেন যে, আরাফার দিনে রোযার
ব্যাপারে আমি আল্লাহর উপর এ বিশ্বাস
রাখি, ঐ দিনের রোযার বিনিময়ে আল্লাহ
পাক রোযাদারের পূর্ববর্তী এক বছর
এবং পরবর্তী এক বছরের গুনাহ্
ক্ষমা করে দেন।
—– (মুসলিম শরীফ, খন্ড-১, পৃঃ-৩৬৭) পবিত্র
হাদীস ঘোষিত এ মহান পূন্য লাভের আশায়
অগণিত মুসলিম নর-
নারী বাংলাদেশের স্থানীয় ৯ জিল-
হাজ্জ রোযা রাখেন। কিন্তু ঐ দিন
মক্কা মোয়াজ্জেমা সহ সারা বিশ্বে ১০
বা ১১ জিল-হাজ্জ। অর্থাৎ কোন ভাবেই ঐ
দিনটি আরাফার দিনতো নয়ই
বরং কুরবানীর দিন বা তাশরীকের প্রথম
দিন। যে দিন গুলোতে রোযা রাখা চার
মাযহাবের সকল ইমাম ও আলেমের
ঐক্যমতে হারাম। আরাফার দিন
হচ্ছে সেটাই যেদিন হাজীগন আরাফার
মাঠে থাকেন। তার পরদিন হাজীগন
আরাফার মাঠে থাকেন না।
তাহলে যেদিন হাজীগন আরাফার
মাঠে থাকেন না সেদিন আরাফার দিন
কিভাবে হয়?
১২। যদিও ঈদের দিন রোযা রাখা হারাম তবুও
অনেক জায়গাতেই এমন বর্ডার/ দেশের
সীমারেখা (মানুষের তৈরী, আল্লাহর
দেয়া নয়) আছে, যার
একপাশে রোযা এবং অন্যপাশে ঈদ
হচ্ছে একই দিনে, নিজ দেশের
আকাশসীমায় আলাদা চাঁদ দেখার কারনে,
তাহলে সেই বর্ডার এর মানুষ
কি রোজা করবে নাকি ঈদ করবে??
ব্রিটিশের দেয়া বর্ডার অনুযায়ী কেন
মুসলিমরা রোযা, ঈদ করবে?? ১৩।নিজ নিজ
দেশের চাঁদ অনুযায়ী রোজা ও ঈদ পালন
করতে হবে এর
স্বপক্ষে আল্লাহর কিতাব বা রাসূল সাঃ এর
হাদিস থেকে দালিল পেশ করবেন। সেই
দেশের সীমানা কতটুকু হবে সেটাও দলীল
সহ জানাবেন। আমরা চাই দলিল, একই
দিনে রোজা ও ঈদ পালণ করতে হবে না, এর
দলিল কি? https://fbcdn-photos-g-a.akamaihd.net/hphotos-ak-xpa1/v/t1.0-0/p100x100/10403668_1459405297651760_5373343544494416034_n.jpg?oh=65b00bcbd139950993643ac661c2815c&oe=54485DA0&__gda__=1414836837_a0f0fcee1bf6c2848bb383efe0edf419

Advertisements
Categories: Uncategorized | Leave a comment

Post navigation

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

Create a free website or blog at WordPress.com.

%d bloggers like this: