মাজহাবি বনাম লা-মাজহাবী আর আমাদের সমাজ‬।

মাজহাবি বনাম লা-মাজহাবী আর আমাদের সমাজ‬।মাজহাবি রা বলছে মাজহাব মানা ফরয আর লা মাজহাবি আহলে হাদিসরা বলছে মাজহাব মানা হারাম ।মাজহাবি আর লা মাজহাবী কারও সাথেই আমার কোন বিরোধ নেই শূধু মাত্র আহলে হাদিসদের একটু বকি তার কারণ হল তারা সম্মানিত ইমাম গনকে গাল মন্দ করে ।যেটা মোটেও গ্রহন যোগ্য নয় বেশির ভাগ ইমামে আজম ইমাম আবু হানিফা (রঃ) কে যিনি সম্মানিত বড় বড় ইমাম গনের মধ্যে একজন । আমি এটা কোখন গ্রহন করতে পারিনা ।আর অন্যদিকে মাজহাব যারা মানেন তাদের মধ্যে কিছু লোক অকাট্য ভাষাই গালাগাল করেন এটাও ঠিক না মুসলিমদের ভাষা সুন্দর হতে হবে ।ইনাদের একটা চরম ভূল যারা সহি হাদিসের উপর আমল করে তাদের ও গাল মন্দ দিতে দেখেছি আহলে হবিস বলে এটা কিন্তু চরম ভূল আপনাদের এ ভূলটা কে বুঝাইছে যে আহলে হাদিসরা শূধু সহি হাদিস মানে ???প্রত্যেক মুসলমানকে সহি হাদিসের উপর আমল করা ফরয ।।বর্তমানে ধর্ম নিয়ে বারাবারি করেন তরুন রা দু একটা কোরআনের আয়াত আর কয়েকটা হাদিস পড়েই বনে যান আলেম এ সম্মন্দে অনেক ফোতোয়া জারি করে বসে এখানে একটা কথা বলে রাখি আলেম এবং ইমাম দুটো আলাদ জীনিস।আবার একটা জীনিস লক্ষনিও যে মাজহাব কে যারা শ্রদ্ধা করেন মানেন তারা কিন্তু ৪ মাজহাবই মানেন কেন না এ সব গুলোই রাসুল (সঃ) এর হাদিস যদিও জয়িফ বা মওজু হাদিস গুলো এখানে মিশ্রিত (ফোতোয়া ব্যতিত ফোতোয়ার ক্ষেত্রে ৯৯%ইমাম যে ফোতোয়ার উপর একমত সেটাই নিবেন ) ধরুন উদাহরনঃহানাফি মাজহাবে গাইবে জাইনাজা নাই কিন্তু মালেকি মাজহাবে আছে ধরুন কোন বিমান বা জাহাজ একছিডেন্টে কেও মারা গেল লাস পাওয়া যাইনি তিনি হানাফি মাজহাব তখন কিন্তু তার মালেকি মাজহাবের টা নেন গাইবে জানাজা পড়ার জন্য।আর ফোতোয়া তখনি যারি হয় নিত্য নতুন কোন সমস্য যেমন ডাইয়াবেটিস রুগির ইনসুলিন রমজানে নেওয়া যাবে কিনা ইত্যাদি অবশ্য যেগুলো কোরআন হাদিস বিরোধি ফোতোয়া সেগুলো নেয়া যাবেন।আর জয়িফ হাদিসের কথা বলতে গেলে আমি আজ পর্যন্ত তেমন কোন মৌলানাকে দেখিনি যারা জয়িফ হাদিস নিতে বলেছেন যদিও ওয়াজে অনেকে বলেন বিভিন্ন প্রসঙ্গে আবার এও বলেদেন এগুলো দুর্বল হাদিস ।আর নিত্য নতুন সমস্যার সমাধানে মাজহাবের গুরুত্ত অপরিশিম । আর অন্য দিকে আমাদের সমাজে কিছু মানুষ ডাইলে চালে কিছুরি পাকাই ফেলেন ।কিছু নফল মুসতাহাব বিষয় নিয়ে বারাবারি তর্ক বিতর্ক যে গুলো শরিয়তের কোন মাতা ব্যথা নাই সে সব বিষয় নিয়েই মাতা ফাটাফাটি আর কিছূ নিজেদের তৈরি জীনিস ইসলামের ভিতর ছাপাইদেন ফরয বলে যা সম্পূর্ন বিদাত বা আংশিক বেদাত সে সব বিষয় নিয়ে জোর জবস্তি শূরু করেন অতছ ফরয বিষয় নিয়েও জোর জবস্তি করতে মানে ধর্মের বিষয়ে জোর জবস্তি করতে আল্লাহ পাক নিষেদ করেছ । যদি বল হয় এগুলো তো বিদাত তখন আপনারা কোত্তেকে বিত্তিহীন মতবাদ একটা আনেন ১।বিদাতে হাসনা ২।বিদাতে ছায়া । মানলাম অনেক জীনিস ভাল কিন্তু বিদাত বিদাতি কোন অবস্তাই সেটা গ্রহন যোগ্য নয় ।সুস্ত মস্তিস্কে চিন্তা করুন ইসলাম হচ্ছে পরিপূর্ন জীবন বিধান যেমন উদাহরন সরুপ একটা গ্লাস ভর্তি পানি এতে আরও কিছু পানি ডালেন রাখতে পারবেন না বেয়ে পরে যাবে ঠিক তেমনি পানি ফেলাও যাবেনা গ্লাস খালি হয়ে যাবে ।কোরআন ও সুন্নাহ এগুলোর মানুষ আংশিকও যেকানে মানতে পারছেনা সেকানে আবার নিত্য নতুন কিছু এগুলো কোত্তেক মানবে ??? আল্লাহ সবাইকে বুঝার তৌফিক দান করুক ইসলামের সঠিক ও সহি পথে পরিচালিত করুক দ্বীনের অটুটু রেখে ঈমানের সহিত মিত্যু দান করুক “আমিন”

Advertisements
Categories: Uncategorized | Leave a comment

Post navigation

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

Create a free website or blog at WordPress.com.

%d bloggers like this: