>>>>>>>>>>>>>> একই দিনে সিয়াম (রোজা) ও ঈদ পালন <<<<<<<<<<<<<

>>>>>>>>>>>>>> একই দিনে সিয়াম (রোজা) ও ঈদ পালন <<<<<<<<<<<<>>>>> এক অঞ্চলে নতুন চাঁদ দেখা না গেলে অন্য অঞ্চলথেকে নতুন চাঁদ দেখার সংবাদ আসলে করণীয় <<<<<>>>>>>>>> সকল মুসলিমকে একই দিনে স্বওম (রোজা) ও ঈদ পালন <<<<<<<<<>>>>>>>>>>>> একই দিনে স্বওম ও ঈদ পালন করার বিষয়ে সংশয়মূলক প্রশ্নোত্তর <<<<<<<<<<<<<
প্রশ্ন (১) কুরাইব (রহ.) হতে বর্ণিত,
মুয়াবিয়া (রা.) এর উদ্দেশ্য উম্মুল ফাযল বিনতুল হারিস (রা.) তাকে শামে (সিরিয়া) প্রেরণ করেন। কুরাইব (রহ.) বলেন সিরিয়ায় পৌঁছানোর পর আমি উম্মুল ফাযল (রা.) এর কাজটি শেষ করলাম। আমি সিরিয়ায় থাকাবস্থায় রমজান মাসের চাঁদ দেখতে পাওয়া গেল। আমরা জুমুয়ার রাতে (বৃহস্পতিবার রাত) চাঁদ দেখতে পেলাম। রমজানের শেষের দিকে মাদীনায় ফিরে আসলাম। ইবনে আব্বাস (রা.) আমাকে (কুশলাদি) জিজ্ঞেস করার পর চাঁদ দেখার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বললেন কোনদিন তোমরা চাঁদ দেখতে পেয়েছিলে? আমি বললাম জুমুয়ার রাতে (বৃহস্পতিবার রাত) চাঁদ দেখতে পেয়েছি। তিনি বললেন (ইবনে আব্বাস (রা.) জুমুয়ার রাতে (বৃহস্পতিবার রাত) তুমি কি স্বয়ং চাঁদ দেখতে পেয়েছ? আমি বললাম লোকেরা দেখতে পেয়েছে এবং তারা স্বওম (রোজা) পালন করছে এবং মুয়াবিয়া (রা.)ও স্বওম (রোজা) পালন করছেন। ইবনে আব্বাস (রা.) বললেন, আমরা কিন্তু শনিবার রাতে (শুক্রবার রাতে) চাঁদ দেখেছি। অতএব, ত্রিশ দিন পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত অথবা চাঁদ না দেখা পর্যন্ত আমরা স্বওম পালন করতে থাকবো। আমি বললাম (কুরাইব (রহ.) মুয়াবিয়া (রা.) এর স্বওম (রোজা) পালন করা এবং চাঁদ দেখা আপনার জন্য কি যথেষ্ট নয়। তিনি (ইবনে আব্বাস (রা.) বললেন, না, রসূলুল্লাহ্ (দ.) আমাদেরকে এরূপ করতে নির্দেশ দিয়েছেন।” -মুসলিম, অধ্যায় ঃ ১৩, কিতাবুস্ স্বিয়াম, অনুচ্ছেদ ঃ ৫, নিজ নিজ শহরের নতুন চাঁদের হিসেব অনুযায়ী কাজ করতে হবে। এক শহরের নতুন চাঁদ উল্লেখযোগ্য দূরত্বে অবস্থিত অন্য শহরের েেত্র প্রযোজ্য নয়, হাদিস ২৮/১০৮৭, নাসাঈ, স্বহীহ্, অধ্যায় ঃ ২২, স্বিয়াম, অনুচ্ছেদ ঃ ৭, অঞ্চলবাসীর জন্য নতুন চাঁদ দেখার ভিন্নতা, হাদিস # ২১১১, আবু দাউদ, স্বহীহ, অধ্যায় ঃ ৮, কিতাবুস্ স্বিয়াম অনুচ্ছেদ ঃ ৯, যখন কোন শহরে এক রাত আগে নতুন চাঁদ দেখা যায়, হাদিস # ২৩৩২, তিরিমিযী, স্বহীহ, অধ্যায় ঃ ৬, কিতাবুস্ স্বওম, অনুচ্ছেদ ঃ ৯, প্রত্যেক শহরবাসীর জন্য (নতুন চাঁদ) দেখা, হাদিস # ৬৯৩, বায়হাক্বী (সুনানুল কুবরা), স্বহীহ্, অধ্যায় ঃ স্বিয়াম, অনুচ্ছেদ ঃ ৬৬…, হাদিস # ৮২০৫ (হাদিসটি মুসলিমের বর্ণনা)।
এই হাদিস থেকে বুঝা যায় যে, এক দেশের চাঁদ অন্য দেশের জন্য গ্রহণযোগ্য নয়।
উত্তর ঃ এই ব্যাখ্যাটি সঠিক নয়। হাদিসটির প্রতি ভালভাবে ল্য করুন,
আমি কুরাইব (রহ.) বললাম মুয়াবিয়া (রা.) এর স্বওম (রোজা) পালন করা এবং চাঁদ দেখা আপনার জন্য কি যথেষ্ট নয়? তিনি (ইবনে আব্বাস (রা.) বললেন, “ (লা, হাকাযা আমারনা রসূলুল্লাহ্ (দ.) অর্থ- না, রসূলুল্লাহ্ (দ.) আমাদের এরূপ করতেই নির্দেশ দিয়েছেন।”
হাদিসটি থেকে দুটি বিষয় বাহ্যিকভাবে বুঝা যায় ঃ
(ক) মুয়াবিয়া (রা.) এর চাঁদ দেখাকে না মেনে ইবনে আব্বাস (রা.) বললেন, লা হাকাযা আমারনা রসূলুল্লাহ্ (দ.), অর্থ- না, রসূলুল্লাহ্ (দ.) আমাদেরকে এরূপ করতে নির্দেশ দিয়েছেন”। তাহলে কি রসূলুল্লাহ্ (দ.) মুয়াবিয়া (রা.) এর চাঁদ দেখার সংবাদ গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন? নিশ্চয়ই না। কারণ, মুয়াবিয়া (রা.) একজন উঁচুমানের সাহাবী। এই ধরণের কথা রসূলুল্লাহ্ (দ.) কখনই বলতে পারেন না।
(খ) তাহলে কি ইবনে আব্বাস (রা.) বুঝিয়েছেন যে, মাদীনার বাহিরে থেকে চাঁদের সংবাদ নিয়ে আসলে সেটা গ্রহণ করতে রসূলুল্লাহ্ (দ.) নিষেধ করেছেন? এমন হওয়াও সম্ভব নয়। কারণ, রসূলুল্লাহ্ (দ.) স্বয়ং নিজেই মাদীনার বাহিরের সংবাদ গ্রহণ করেছেন।
আনাস ইবনু মালিক (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,
“তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (দ.) এর সাহাবী আমার কতিপয় আনসার পিতৃব্য আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, একবার শাওয়ালের নতুন চাঁদ আমাদের উপর গোপন থাকে। আমরা (পরের দিন) স্বওম (রোজা) পালন করি। এমতাবস্থায়, ঐ দিনের শেষভাগে একটি কাফেলা নাবী (দ.) এর কাছে এসে বিগতকাল চাঁদ দেখার স্ব্যা প্রদান করেন। তখন রসলুল্লাহ্ (দ.) আমাদের স্বওম (রোজা) ভাঙ্গতে নির্দেশ দিলেন এবং তারপরের দিন ঈদের (স্বলাতের) জন্য বের হতে বললেন।” -আবু দাউদ, স্বহীহ্, অধ্যায় ঃ ৮, কিতাবুস্ স্বওম (রোজা), অনুচ্ছেদ ঃ ১৩, দুই ব্যাক্তি শাওয়াল (মাসের) নতুন চাঁদের স্বাক্ষ্য দিলে, হাদিস # ২৯৩৯, ইবনু মাজাহ্্, স্বহীহ্, অধ্যায় ঃ ৭, কিতাবুস্ স্বওম (রোজা), অনুচ্ছেদ, ঃ ৫, দুইজন নতুন চাঁদ দেখার স্বাক্ষ্য দিলে, হাদিস # ১৬৫৩, বায়হাক্বী (সুনানুল কুবরা), হাসান, অধ্যায় ঃ কিতাবুস্ স্বওম (রোজা), অনুচ্ছেদ ঃ ৬২, যে দুইজন নিষ্ঠাবান থেকে নতুন চাঁদের স্বাক্ষ্যেরভিত্তিতে ঈদুল ফিতর করে, হাদিস # ৮১৮৮, ৮১৮৯, ৮১৯০, অনুচ্ছেদ ঃ ৬৩, হাদিস # ৮১৯৬, ৮১৯৮, ৮১৯৯ (হাদিসটি ইবনু মাজাহ্’র বর্ণনা)।
এখন তাহলে বুঝা গেল, ইবনে আব্বাস (রা.) রসূলুল্লাহ্ (দ.) এর কোন আদেশের কথা বুঝিয়েছেন তা সুস্পষ্ট নয়। কারণ, ইবনে আব্বাস (রা.) রসূলুল্লাহ্ (দ.) এর হুবহু কথাটি কি তা উল্লেখ করেননি। তাই এই হাদিস থেকে স্পষ্ট কোন ব্যাখ্

Advertisements
Categories: Uncategorized | Leave a comment

Post navigation

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

Blog at WordPress.com.

%d bloggers like this: